ঢাকা,  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহল চলছে, কেন্দ্রে ভোটারদের সারি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহল চলছে, কেন্দ্রে ভোটারদের সারি

ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোট চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে। কোথাও কোথাও ভোট শুরুর আগেই ভোটারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র রয়েছে। তিন উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি।

এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২৪৯ জন ও নারী ৩৮ জন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ প্রার্থী

উপনির্বাচনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

প্রথমে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ।

যেভাবে শূন্য হয় আসনটি

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে জয়ী হন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।

ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।