ঢাকা,  বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬,

পূর্বাচলে প্লট নিয়ে দুর্নীতি

টিউলিপের মামলায় এক দিনে ৯ সাক্ষী

টিউলিপের মামলায় এক দিনে ৯ সাক্ষী

ফাইল ছবি

পূর্বাচলে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক তিন মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৬ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছে আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় ৯ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। প্রত্যেক মামলায় ১৭ জনের সাক্ষ্য শেষ হলো।


গতকাল যে ৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, তারা হলেন ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের নির্বাহী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফরহাদুজ্জামান, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের অপারেটর শেখ শমশের আলী, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ সদস্য হিমেল চন্দ্র দাস এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আক্তার জাহান।

জবানবন্দিতে তারা বলেন, টিউলিপ সিদ্দিক ফ্ল্যাটটি পরে তার বোন আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হস্তান্তর করেছেন বলে দাবি করেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনবিহীন দলিল আইনগতভাবে কার্যকর নয়। তাই এখনো তিনি এই ফ্ল্যাটের মালিক। আসামিরা পলাতক থাকায় জেরা হয়নি। গত ১৩ আগস্ট তিনটি মামলার তিনজন বাদীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ছয় মামলা করে দুদক। যার মধ্যে শেখ রেহানা ও তার সন্তানদের নামে তিনটি মামলা হয়।

চার্জগঠন শুনানির সময়ে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। প্রত্যেক মামলায় ৫৩ জন আসামি। তিন মামলার একটিতে টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জন, আরেকটিতে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জন এবং আরেকটিতে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয় মামলার আসামি। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতা অপব্যবহার করে তার ও তার বোনের পরিবারের ছয় সদস্যকে পূর্বাচলে ৬০ কাঠা জমি বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে এবং এই ছয় সদস্যরা ঢাকায় জমি থাকার পরও মিথ্যা হলফনামা দিয়েছেন।