ছবি: সংগৃহীত
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। এই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়নি। তবুও সংঘাতে হ্রাস টানার কোনো লক্ষণ নেই।
মার্কিন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে স্বীকার করেছেন যে, যুদ্ধটি স্বল্পমেয়াদি নাও হতে পারে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, এটি ইরাক যুদ্ধের মতো দীর্ঘমেয়াদি নয়। তবে দীর্ঘ যুদ্ধের সম্ভাবনা অস্বীকার করার প্রয়োজনীয়তাই এই আশঙ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রত্যাশিত সাফল্য না আসায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন কৌশল খুঁজছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য এখন ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা। তিনি বলেন, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
স্থল অভিযানের সম্ভাবনা
ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই মনে করে, ইরানে শাসন পরিবর্তনের জন্য স্থল অভিযানের প্রয়োজন হতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরোধী গোষ্ঠী ও কুর্দি সংগঠনগুলোকে কাজে লাগানোর চিন্তাও ওয়াশিংটনের কৌশলের অংশ হয়ে উঠছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই, তবে প্রয়োজন হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এতে দীর্ঘ যুদ্ধের সম্ভাবনাই ইঙ্গিত করছে।













