ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ক্রসিংয়ে এই ব্লকেড কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ঘণ্টাব্যাপী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দাবি মেনে না নিলে চলমান দূর্গাপুজার পর বৃহত্তর পরিসরে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন ব্যাংকাররা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, আমাদের ৭টি দাবি রয়েছে। দাবিগুলো হলো- যাদের বিনা কারণে টার্মিনেট করা হয়েছে তাদের স্বপদে বহাল করা, যাদের দূরবর্তী শাখায় বদলি করা হয়েছে তাদের কাছাকাছি নিয়ে আসা। গত সরকারের আমলে যারা অবৈধ প্রমোশন পেয়েছে তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা, বৈষম্যহীন রাজনৈতিমুক্ত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করা, শর্ত আরোপ করে সব ধরনের এসেসমেন্ট টেস্ট বন্ধ করা, বাংলাদেশের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় চট্টগ্রামের অফিসারদের ওপর যে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তা উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের সব অফিসারকে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা।
দাবি আদায়ে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি। এখন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গাপুজা চলছে। এ কারণে বড় কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। পূজার ছুটির মধ্যে যদি আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হয়, তাহলে আমরা আগামী রোববার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচিতে যাব।
জানা গেছে, ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষে সঙ্গে কর্মকর্তাদের এই অস্থিরতা শুরু হয়েছে একটি বিশেষ দক্ষতা পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই পরীক্ষার আয়োজন করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
তবে ব্যাংকের কর্মকর্তারা অভিযোগ তোলেন, চট্টগ্রামের সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতির চেষ্টার অংশ হিসেবে এই প্রহসনমূলক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। সেজন্য তারা এই পরীক্ষা বয়কট করে মাঠে নামেন।
পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া এবং আন্দোলনে নামায় চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গত সোমবার ২০০ জন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত ও ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি করা হয়।
সোমবার পটিয়ায় ব্যাংকারদের আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। পটিয়া থানার উপপরিদর্শক কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। তবে মামলায় কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। ব্যাংক ইস্যুতে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কায় পটিয়া থানায় অতিরিক্ত ফোর্সসহ একটি জলকামান আনা হয়েছে।













