ঢাকা,  মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ,

চট্টগ্রামকে হারিয়ে সবার আগে প্লে-অফে রংপুর

চট্টগ্রামকে হারিয়ে সবার আগে প্লে-অফে রংপুর

সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স

টুর্নামেন্টে দারুণ শুরু করেছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কিন্তু হুট করেই হারের বৃত্তে আটকে যায় দলটি। দশ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের যা অবস্থা, তাতে প্লে-অফ খেলাটা বেশ কঠিনই হয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের দেওয়া ১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৬৯ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস। তাতে ১৮ রানের জয়ে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।


চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের জন্য লক্ষ্যটা একেবারে সহজ ছিল না। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩২ রানে তিন উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। দলের হয়ে একাই লড়াই করেছেন রোমারিও শেফার্ড। ৩০ বলে ৫ চার ও ৬ ছক্কায় ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। আর তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে না পারায় লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি চট্টগ্রাম।


রংপুরের বোলারদের মধ্যে শেখ মেহেদী ১৭ রানে নেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া প্রিটোরিয়াস তিনটি ও হাসান মাহমুদ একটি উইকেট নিয়েছেন। ব্যাটিং-বোলিংয়ে অলরাউন্ডস পারফরম্যান্স করে ম্যাচসেরা হন মেহেদী।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৪ রানে দুই উইকেট হারালেও সাকিবের দৃঢ়তায় ম্যাচে ফেরে রংপুর রাইডার্স। তার ব্যাক টু ব্যাক হাফ সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ১৮৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে রংপুর।


ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৩ রানের মাথায় আউট হন ওপেনার রনি তালুকদার। এরপর রেজা হেনড্রিকস (৪), ব্রান্ডন কিং (২) ও নুরুল হাসান সোহান আউট হলে চাপে পড়ে রংপুর। চাপের মুহূর্তে দলের ত্রাতার ভূমিকায় সাকিব। শেখ মেহেদী হাসানকে নিয়ে এরপর চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর চড়াও হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬৮ রান যোগ হয়। ১৭ বলে ৪ ছক্কায় ৩৪ রানের ঝড় তুলে আউট হন মেহেদী।

এদিকে সাকিব ব্যাক টু ব্যাক হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৩৩ বলে ৩টি চার ও সমানসংখ্যক ছক্কায় ফিফটি করেন এই অলরাউন্ডার। বিপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সিলেট থেকে ফিরেই বদলে যান সাকিব। আগের পাঁচ ম্যাচে যেখানে তার রান ছিল চার, পরের চার ম্যাচে সেখানে তার রান এখন ১৩০।

শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬২ রানের ইনিংস খেলে যান। এরপর শামীম হোসেন পাটোয়ারীর ১৭ এবং হাসান মাহমুদের ৮ রানের ইনিংসে ভর করে রংপুর ১৮৭ রানের সংগ্রহ পায়।

বল হাতে চট্টগ্রামের শেফার্ড ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। সালাউদ্দিন সাকিল ২টি ও শহিদুল ইসলাম নেন ২টি উইকেট।